-5%
গ্যাস্ট্রিক অম্লতা ও বাইল রিফ্লাক্সজনিত কারণে ইসোফাগাসে ব্যথাজনক অবস্থা উপশমে ব্যবহৃত হয়। হজমে অসুবিধা বা ডিসপেপসিয়া, গ্যাস্ট্রিক রিফ্লাক্স, রিফ্লাক্স ইসোফ্যাজাইটিস, হার্টবার্ন, হায়েটাস হার্নিয়া, গর্ভকালীন হার্টবার্ন, রেগারজিটেশন এবং ইপিগ্যাস্ট্রিক ও রেট্রোস্টার্নাল ব্যথা যেখানে কারণ গ্যাস্ট্রিক রিফ্লাক্স—এই সকল ক্ষেত্রে উপশম দিতে সহায়ক।
গ্যাভিনিল ৫০০ মিগ্রা + ২৬৭ মিগ্রা + ১৬০ মিগ্রা / ১০ মি.লি. ওরাল সাসপেনশন
(Gavinil Oral Suspension)
প্রয়োগবিধি
খাবারের পর এবং ঘুমানোর আগে গ্রহণ করা উচিত।
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
খাবারের পর ও ঘুমানোর আগে প্রতি ডোজে ১০-২০ মি.লি., দিনে সর্বোচ্চ ৪ বার পর্যন্ত।
১২ বছরের ঊর্ধ্বে শিশুদের মাত্রা
খাবারের পর ও ঘুমানোর আগে ১০-২০ মি.লি., দিনে সর্বোচ্চ ৪ বার পর্যন্ত।
বিপরীত নির্দেশনা (Contraindication)
যদি উপাদানগুলোর প্রতি সংবেদনশীলতা থাকে, তবে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
ক্রিয়া-পদ্ধতি
এই ওষুধের কাজ পেটের অ্যাসিডের সাথে প্রতিক্রিয়া করে অ্যালজিনিক অ্যাসিড জেল তৈরি করা, যা একটি রাফটের মতো পেটের উপরিভাগে ভেসে থাকে। এই রাফট গ্যাস্ট্রিক কনটেন্টের রিফ্লাক্স বাধাগ্রস্ত করে এবং ইসোফাগাসে পৌঁছালে প্রশমক প্রভাব ফেলে। এটি সাধারণত ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
সতর্কতা
সোডিয়াম নিয়ন্ত্রিত ডায়েট অনুসরণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করুন।
হাইপারক্যালসেমিয়া, নিফ্রোক্যালসিনোসিস বা ক্যালসিয়ামযুক্ত কিডনি পাথরের ইতিহাস থাকলে ব্যবহার সতর্কতা প্রয়োজন।
খুব কম অ্যাসিড উৎপাদনের ক্ষেত্রে কার্যকারিতা হ্রাস পেতে পারে।
এনএসএআইডি ব্যবহারে সম্ভাব্য অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের লক্ষণ গোপন করতে পারে।
১২ বছরের নিচের শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার নিষেধ।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া: ইউর্টিকারিয়া, ব্রঙ্কোস্পাজম, অ্যানাফাইল্যাকটিক প্রতিক্রিয়া।
অতিরিক্ত গ্রহণে দেখা দিতে পারে: অ্যালকালোসিস, হাইপারক্যালসেমিয়া, অ্যাসিড রিবাউন্ড, মিল্ক-অ্যালকালি সিনড্রোম, কোষ্ঠকাঠিন্য।
ঔষধের পারস্পরিক ক্রিয়া
এই ওষুধটি নিম্নলিখিত ওষুধের শোষণে প্রভাব ফেলতে পারে:
H2-ব্লকার, টেট্রাসাইক্লিন, ডিজক্সিন, ফ্লুরোকুইনোলোন, আয়রন সল্ট, কেটোকোনাজল, নিউরোলেপ্টিক, থাইরক্সিন, পেনিসিলামিন, বিটা-ব্লকার, গ্লুকোকর্টিকয়েড, ক্লোরোকুইন, ডাইফসফোনেট।
সংরক্ষণ:
শুকনো ও ঠাণ্ডা স্থানে, আলো ও তাপ থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
